#হাবিজাবি
বাংলাদেশে একটা ভয়ংকর জিনিস ধীরে ধীরে normal হয়ে যাচ্ছে। হাসপাতালে রোগী মারা গেলে, হলে, বা চিকিৎসা প্রত্যাশামতো না হলেই প্রথম reflex হচ্ছে, 'ডাক্তার ধর! মার!!'
অনেকে ভাবে ডাক্তারদের জীবন খুব safe. সাদা অ্যাপ্রন পরে, AC রুমে বসে prescription লিখে টাকা নেয়। বাস্তবতা একটু অন্যরকম। চিকিৎসকদের বড় একটি অংশ junior doctor যারা দিনরাত এক করে duty করে, যাদের এক হাতে নতুন রোগীর admission paper, আরেক হাতে death certificate যার জন্য একটু আগেও সে সাধ্যমত চেষ্টা করেছে।
এডমিশন ডে, চারপাশে উপচে পড়া ভীড়, অসংখ্য রোগী, সাথে কয়েকগুণ attendant. সবাই সমান তালে চিৎকার করছে, একটু তাড়াতাড়ি করেন! রোগী বাঁচান!ডাক্তার দু হাতে সব্যসাচী হয়ে সেবা দিচ্ছে এর মাঝখানে যদি রোগী মারা যায়, তাহলে সবচেয়ে vulnerable মানুষটা হয়ে যায় সেই ডাক্তার, যে শেষ ১ ঘণ্টা ধরে রোগীটাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিল।
বাংলাদেশে আমরা চিকিৎসাকে Netflix series ভাবি, যার শেষ scene এ patient বেঁচে উঠবেই। কিন্তু medicine হলো probability এর বিজ্ঞান, এখানে সব patient বাঁচবে না, সব operation সফল হবে না, সব ICU miracle করবে না। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অনেকে এখন death accept করতে ভুলে গেছে, আর grief management এর জায়গা দখল করে নিচ্ছে aggression। রোগীর স্বজনের কষ্ট অবশ্যই সত্যি। বাবা মারা গেলে ছেলে ভেঙে পড়বে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একজন doctor কে মারধর করলে মৃত মানুষটা ফিরে আসে না। বরং পরদিন থেকে emergency room এ আরেকজন doctor defensive হয়ে যায়, চিকিৎসায় ছেদ পরে।
এসবের ফল কী?
Doctor high risk patient নিতে ভয় পাবে। Complicated case refer করে দিবে। Emergency decision delay হবে। সবাই নিজের safety নিয়ে আগে ভাববে। শেষ পর্যন্ত ক্ষতি কার? Patient এরই।
সবচেয়ে ironical ব্যাপার হলো, যে দেশে doctor মার খায় সবচেয়ে বেশি, সেই দেশেই মানুষ রাতে ২টায় বুক ব্যথা নিয়ে দৌড়ে hospital এ যায় এই আশা নিয়ে, ডাক্তার somehow বাঁচিয়ে দিবে। মানে আমরা simultaneously doctor কে savior ও বানাই, আবার Guilty ও বানাই। এই culture ভয়ংকর। এতে দুইটা জিনিস হারিয়ে যায়, একটা trust, আরেকটা humanity.
হাসপাতাল কোন warfield না, Doctor রাও punching bag না। কিন্তু এমন ঘটনাগুলো বেড়ে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ এখন বাধ্য হচ্ছে পাগলা ঘন্টা লাগাতে, যেন যুদ্ধ শুরু হলে এলার্ম বাজিয়ে সৈন্য ডাকা যায়! এগুলোতে কাজ কতটুকু কি হবে জানিনা, বরং মানুষকে সচেতন করতে হবে, বুঝাতে হবে স্টেথোস্কোপ ধরে থাকা ব্যক্তিটি machine না, মানুষ। যে মানুষটাকে দিন রাত অনেক সময় ও সামাজিক উৎসব উপলক্ষ্য sacrifice করতে হয় হাসপাতাল ডিউটির জন্য, রোগীদের সুস্থতার জন্য।
চিকিৎসায় negligence হলে বিচার হবে, অবশ্যই হবে। কিন্তু mob justice কোনো সভ্য সমাজের ভাষা না। কারণ যেদিন emergency room এ doctor নিজের safety নিয়ে patient-এর চেয়ে বেশি চিন্তা করবে, সেদিন পুরো healthcare system টাই ICU তে চলে যাবে।
এসব ঘটনায় অনেক মানুষ মনে করে, দেশের ডাক্তার কিছু পারে না, ইন্ডিয়ায় গেলেই সব ঠিক। এই narrative টা বহু বছর ধরে slowly build হয়েছে। কখনো real bad experience থেকে, কখনো exaggerated গল্প থেকে, কখনো marketing থেকে, আর কখনো নিজের দেশের healthcare system-এর প্রতি দীর্ঘদিনের frustration থেকে। ফলে কী হয়েছে?
বাংলাদেশে কোনো patient মারা গেলে বা complication হলে, খুব দ্রুত একটা কথা উঠে আসে, ইন্ডিয়া নিলে বাঁচতো। মজার ব্যাপার হলো, এই কথাটা অনেক ক্ষেত্রেই medical reality না, emotional coping mechanism.
মানুষ আসলে guilt কমাতে চায়। ভাবতে চায়, আরেকটু চেষ্টা করলে হয়তো বাঁচানো যেত। এবং সেই, আরেকটু চেষ্টার প্রতীক হয়ে গেছে india, thailand, singapore. আর এর পক্ষে কাজ করছে এদেশে চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু এমন প্রচারগুলো। সাথে aggressive health tourism marketing তো আছেই।
এই mindset এর একটা dangerous side effect আছে। এটা local doctor দের প্রতি trust ধ্বংস করে। যখন আপনি আগে থেকেই ধরে নেন, এরা কিছু পারে না, তখন চিকিৎসার outcome খারাপ হলেই doctor আর মানুষ থাকে না, suspect হয়ে যায়। তখন complication মানেই negligence, death মানেই ভুল চিকিৎসা। আর রাগের target হয়ে যায় রোগীর সবচেয়ে কাছে থাকা doctor মানুষটা।
এখানে একটা uncomfortable truth আছে। বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার রোগী ইন্ডিয়ায় যায়, এটা সত্যি। এতে loss আমাদের, benefit ওদের। রোগীদের অনেকেই benefit পায়, এটাও সত্যি। ভারতের অনেক hospital system, patient communication, medicolegal security, nursing support অনেক ক্ষেত্রে আমাদের চেয়ে better organized, এটাও বাস্তবতা। কিন্তু আরেকটা বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের ডাক্তারদের একটা বড় অংশও একই বই পড়ে, একই guideline follow করে, অনেকেই foreign trained, অনেকেই international standard care দেওয়ার চেষ্টা করে limited resource এর মধ্যে। পার্থক্যটা অনেক সময় শুধু doctor না, পুরো system এর। ডাক্তার রোগীর সবচেয়ে কাছাকাছি থাকায় সব দোষ কেবল তার ঘাড়েই এসে পড়ে, সাথে মারটাও, পিছনের faulty system টার কথা তখন আর তারা চিন্তা করেনা।
একজন doctor যদি ৭০-৮০ জন patient একা manage করে, ICU bed না থাকে, nurse shortage থাকে, environment ভালো না থাকে, attendant aggression এর ভয় থাকে, তাহলে outcome সবসময় Singapore, Chennai level হবে না। কিন্তু public narrative কী? বিদেশে নিলে বাঁচতো! এই বাক্যগুলো ধীরে ধীরে বাংলাদেশের healthcare system এর বিরুদ্ধে collective distrust তৈরি করেছে। health tourism বাড়ছে, সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষ যাচ্ছে India, Thailand, Singapore, বা অন্য কোথাও, loss হচ্ছে দেশের, প্রকাশ পাচ্ছে দৈন্যতা।
নিজেদের system এর প্রতি distrust যখন extreme level এ যায়, তখন violence জন্ম নেয়। তবে এটাও সত্যি সব দোষ শুধু public এর না। বাংলাদেশের healthcare sector এ communication gap, unethical practice, unnecessary investigation, commission culture, disorganized system, private hospital business এ অনেক মালিকদের অসাধু activity, এসবও মানুষের ক্ষোভ বাড়িয়েছে।
Trust একদিনে ভাঙে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত একটা society যদি নিজের healthcare system কে সম্পূর্ণ অযোগ্য মনে করতে শুরু করে, তাহলে সবচেয়ে বড় ক্ষতি সেই society'রই হয়। society'র একটা বড় অংশ দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করে, নুন আনতে যাদের পানতা ফুরায়, এক হালি ডিম, একটা হাঁস বা মুরগী বিক্রি করে আসছে ডাক্তার দেখাতে এমন অনেককে দেখেছি, এরা ইন্ডিয়া যেতে পারবে না। কিছু মানুষের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণে সৃষ্ট সমস্যা এসব গরীব মানুষের চিকিৎসায় বাঁধা সৃষ্টি করবে মাত্র।
পরিশেষে, বাংলাদেশের healthcare system কে improve করতে হবে, accountability বাড়াতে হবে, doctor patient communication better করতে হবে অবশ্যই। একই সাথে দেশে doctor bashing আর বিদেশি চিকিৎসার প্রতি blind worship দিয়ে কোনো দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা দাঁড়ায় না। দেশের healthcare system ভেঙে পড়লে, সবার আগে মারা যাবে ওই গরিব মানুষটাই। তাই সঠিক আইন করতে হবে, আইনের প্রয়োগ যথাযথ হতে হবে, এতে সচেতনতা বাড়বে, আবেগের বশবর্তী হয়ে করা অন্যায় থেকে অনেকে বিরত থাকবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে resource allocation বাড়াতে হবে, দূর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করে বরাদ্দকৃত অর্থ ও সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
কাওসার
কে-৬৫