#হাবিজাবি_১৩৯
COVID-19 positive, চিন্তার বিষয়, but don't be panicked!
counselling অত্যন্ত জরুরি। self counselling, পাশাপাশি যারা কাছাকাছি আছেন এমন চিকিৎসক বা আত্মীয় বন্ধু দ্বারা counselling.
COVID-19 মানেই মৃত্যু নয়। এটি একটি highly infectious viral disease, যা অন্য অনেক viral disease এর মত কিছুদিন ভুগিয়ে নিজে থেকে কমে যেতে পারে, আর এদেশে এখন পর্যন্ত mortality rate around 1%
তেমন কোন ওষুধ ছাড়াই proper isolation, আর প্রয়োজনীয় supportive therapy তেই অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে যায়। এমনকি অনেকেরই প্রয়োজন পরে না hospitalization.
সবাইকে proper way তে hospital এ রাখতে পারলে বিষয়টা মন্দ হত না, মনিটরিং করতে সুবিধা হত। কিন্তু সেটা আমাদের কেন, পৃথিবীর কোন দেশের পক্ষে সম্ভব না। চায়নার temporary field hospital গুলোতে maximum ই ছিল cabin ward, এক cabin এ অল্প ক'জন। কিন্তু আমাদের দেশের perspective এটার ব্যবস্থা করা প্রায় অসম্ভব।
এই অসম্ভব অবস্থার মধ্যেও আমরা যদি বিষয়টাকে গায়ের জোড়ে সম্ভব করে সব ক্যাটাগরির রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে চাই তবে দু'টি বড় খারাপ সম্ভাবনা আমাদের সামনে থাকবে,
একঃ ১০০ জন রোগীর open ward এ ১০০০ জন রোগী গায়ের সাথে গা ঘেষে গড়াগড়ি খাবে! স্বাস্থ্যসেবাদানকারীরা দিশেহারা হয়ে যাবে - তারা আরো বেশি আক্রান্ত হবে, হাসপাতালগুলো ব্যর্থ হবে, ভেঙে পড়বে সার্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থা।
পরিবহণ স্বল্প পরিসরে খুলে দেয়া হয়েছে। এখন আনাগোনা বাড়ছে মৃদু থেকে তীব্র সব ধরণের রোগীদের। সামনে আরো বাড়বে, তখন চাল ডাল মিলে খিঁচুড়ি হবে, প্রতিদিন হাজার খানেক ডাক্তার নিয়োগ দিয়েও যা সামলানো অসম্ভব।
দুইঃ positive সব ক্যাটাগরির সবাই hospitalized হলে, existing set-up এ তাদের viral load বাড়বে, সম্ভাবনা বাড়বে complications এর।
এটা simple math, একজন mild COVID-19 রোগী, হোক সেটা panic attack বা কোন respiratory complications, mild respiratory distress নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হলেন। তার ওয়ার্ডে তিনি সহ হয়তো মোট ৫০ জন রোগী ভর্তি। তারা কিন্তু কেউ খুব সুরক্ষায় থাকছেন না, হয়তো শুধু একটি সাধারণ মাস্ক পড়ে শুয়ে আছেন। এর ফলে এক রোগী থেকে অন্য রোগীর viral load বাড়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। আর এ কারণে যে রোগী হয়তো mild stage থেকেই recover করতো, তাকে তখন যেতে হচ্ছে severe stage পর্যন্ত।
এটা আমার ব্যক্তিগত observation. এবং এই আলোকে পরিচিত যারা positive আসছেন, অবস্থা বিবেচনায় তাদেরকে বলেছি, 'ভয় না পেয়ে বাসায় থাকুন। এই কাজগুলো এভাবে করুন। এই বিষয়গুলো মনিটর করুন।'
আল্লাহর রহমতে তারা সবাই ভাল হয়েছেন, ভাল আছেন। তাদের অধিকাংশের বয়স ৪০ এর নিচে, কারো কারো কিছু co-morbidities ছিল যেমন HTN, Asthma, DM, etc. যাদেরকে তাদের পূর্বের নিয়মে এই co-morbidities গুলো নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসা continue করতে বলেছি। চেষ্টা করেছি ব্যক্তিগতভাবে প্রতিদিন তাদের সাথে অল্প করে কথা বলে কিছুটা counselling ও অবস্থা monitoring করতে।
সব মিলিয়ে এটা আমার observational finding, 'এতে একদিকে যেমন কমেছে hospital burden, অন্যদিকে বাড়েনি তাদের viral load.' অনেকটা win win situation.
ফাইনালি একটা কথা, Anxiety doesn't cause such sickness but when there is contact with infections, the weakened immune system may struggle to fight them back.
তাই মনে সাহস রাখুন, স্রষ্টার উপর ভরসা রাখুন। কারো কোন পরামর্শ প্রয়োজন হলে feel free to contact, ব্যস্ততার বাইরে সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করবো যতটুকু সম্ভব। ফি আমানিল্লাহ্।
ডা. কাওসার
ঢামেক, কে-৬৫
