#হাবিজাবি_১৯৪
কুল বংশের রাজা ডা. বকুল কক্সবাজার বেড়াতে গেছে। বোকা বকুল সন্ধ্যায় গেল ফিস মার্কেটে, আর চতুর মাছবিক্রেতা বাসি-পঁচা কাকড়া চিংড়ি ধরিয়ে দিল তাকে। মসলাদার মচমচে সি-ফুডগুলো বকুল বেশ মজা করেই খেল। আর তারপর...
মুচরে কামড়ে পেট ব্যথা, সাথে পানির মত পায়খানা। বেশি না, এভাবে রাতে মোট ৪ বার।
আপাতত Dx: Acute watery diarrhoea
ডা. বকুল তার তরল বিসর্জনের ঘাটতি পূরণে স্যালাইন তরল যা পেল তাই খেল। কিন্তু তার আর তর সইলো না, সকালে ঘুম থেকে উঠেই খেয়ে নিলো Azithromycin!
Azithromycin খাওয়াটা কি যৌক্তিক ছিল?
না। তবে হয়তো যৌক্তিক হত যদি,
৩ দিনের বেশি Diarrhoea হত।
দিনে ৬ বারের বেশি Diarrhoea হত।
তার আগ পর্যন্ত যতটুকু fluid loss, ততটুকুর ঘাটতি পূরণই হল মূল চিকিৎসা।
এটি হলো Travellers Diarrhoea.
বকুলের খাওয়া মজার খাবারে নিচের bacteria বা virus এর কোন একটি হয়তো ছিল,
E. coli ( Enterotoxigenic)
Shigella species
Campylobacter jejuni
Rotavirus
যা অধিকাংশ সময়ই self limiting.
বকুলের বাবা মিস্টার মুকুল যিনি রক্তের চর্বি কমাতে statin খান, আর শ্বাসকষ্টের জন্য খান doxyphylline. তিনি যদি এমন Travellers Diarrhoea তে অপ্রয়োজনে Azithromycin (Macrolide) খান, তবে তার statin এর সাথে মিলে এটি Arrhythmia করতে পারে।
Azithromycin না খেয়ে তিনি যদি Ciprofloxacin খান, তবে সেটিও তার Doxyphylline এর সাথে মিলে Arrhythmia করতে পারে।
শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে Ciprofloxacin এর আর একটি ক্ষতিকর দিক হলো এটি Tendon rupture করতে পারে।
এমনকি এমনো হতে পারে, watery diarrhoea কমাতে তিনি Ciprofloxacin খেলেন, কয়েকদিন পর শুরু হলো bloody diarrhoea, আর এর কারণ হল Ciprofloxacin induced Pseudomembranous colitis!
মিস্টার মুকুল Azithromycin, Ciprofloxacin কোনটাই খেলেন না। তিনি গেলেন নিকটস্থ হাসপাতালে, যেখানে নন-ডাক্তার বা ভুলজানা-ডাক্তার তাকে Inj. Ceftriaxone ও Inj. Metronidazole লিখে ভর্তি দিয়ে দিলো। এই broad spectrum Ceftriaxone ও কিন্তু Pseudomembranous colitis করতে পারে। যদিও বাড়তি সতর্কতা স্বরূপ, normal gut flora restore করতে সাথে তাকে দেয়া হল Pobiotics! একদিকে Antibiotics অন্যদিকে Probiotics, দু'য়ে মিলে ফলাফল শূন্য! লাভ শুধু ওষুধ কোম্পানির!
পাশাপাশি, এই unnecessary Antibiotics ব্যবহারে Antibiotics resistance হওয়ার সম্ভাবনা তো আছেই। তাই এসব ক্ষেত্রে ধৈর্য্যধারণ আবশ্যক!
ডা. কাওসার
ঢামেক, কে-৬৫






