#হাবিজাবি_১৯১
carbohydrate কম বা বাদ, শুরু হল fat ও protein খাওয়া - keto diet.
carbohydrate কমে যাওয়ায় কমে যাবে এর response এ শরীরে insulin secretion.
আমাদের প্রধান এনার্জি সোর্স carbohydrate, আর এটি কমে গেলে সাময়িক sympathetic over-activation হবে, secretion হবে epinephrine.
রক্তে carbohydrate কমে যাওয়ায় শরীর তখন বিকল্প source of energy নিয়ে চিন্তা শুরু করবে।
শরীরে adipose tissue তে জমে থাকা fat গুলো ভাঙা শুরু করবে, ভাঙা শুরু করবে protein. আর এসব ভাঙতে মূল ভূমিকা পালন করে Epinephrine. এই epinephrine এর বিরুদ্ধে inhibitory role play করে insulin. আর এখন যেহেতু hypoglycemia হয়ে insulin কম, তাই epinephrine এর একশন বেশি, পাশাপাশি বেশি glucose বাড়ানোর অন্যান্য হরমোন যেমন Glucocorticoid, Catecholamines, Thyroxine, Glucagon, Growth hormone.
Epinephrine বাড়লে pulse বাড়ে। Thyroxine বাড়লেও pulse বাড়ে।
অন্যদিকে insulin কমে যাওয়ায় রক্তে যতটুকু যা glucose আছে সেটিও তখন cell এ আর ঢুকবে না, আল্টিমেটলি এই গ্লুকোজ polyuria করবে, urine এর সাথে loss হবে electrolytes. Water loss হয়ে হবে dehydration.
পাশাপাশি keto diet করতে পারে constipation, constipation থেকে হতে পারে anal fissure, বাড়তে পারে colorectal cancer risk.
ওদিকে glucose এর অভাবে যেহেতু beta cell আগের চেয়ে কম active, তাই তার function এ fatiguability সৃষ্টি হতে পারে
যাই হোক, গ্লুকোজ এর বিকল্প এনার্জি সোর্স ketone body তৈরিতে fat ভেঙে fatty acid, protein ভেঙে amino acid. আর এসব থেকে হয় acetyl Co-A, আর এই acetyl Co-A থেকে ketone body.
Ketone body তৈরি হয় liver, অর্থাৎ fat ভেঙে তৈরি হওয়া সব fatty acid লিভারের দিকে ছুটে যাবে, এতে হতে পারে hepatic steatosis (fatty liver), galls stone.
Protein গুলোও energy তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে, তাই হতে পারে hypoproteinemia.
Excess Keton body acidosis করতে পারে, আর সেগুলো kidney দিয়ে বের হবে, ফলাফল হতে পারে kidney stone formation.
Carbohydrate এ অভ্যস্ত brain শুরুতেই keton body ব্যবহার করতে পারে না এনার্জি তৈরিতে। তাই হতে পারে, headache, insomnia, dizziness. সাথে nausea, vomiting, generalised weakness, etc. এসবকে একসাথে বলে keto flu.
এসব সমস্যা সবারই হবে এমন না। হলেও সেটা persistent হবে সেটিও নিশ্চিত করে বলা যায় না। বাকি যতই সমস্যা হোক না কেন, ওজন কমবে নিশ্চিত, কারণ এতে insulin কমছে, fat protein ভাঙছে। আর ওজন কমার অনেক ভাল দিক আছে। তাই Keto diet করা ভাল কি ভাল না সেটি নির্ভর করে risk benefit ratio এর উপরে।
কিন্তু Keto diet না করেও পরিমিত স্বাভাবিক খাদ্য গ্রহণ, intermittent fasting, কায়িক পরিশ্রম ও শৃঙ্খলা পালনের মাধ্যমেও ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যায়, যেখানে উপরের সমস্যা গুলো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না, বরং long term keto diet করলে কি কি সমস্যা হতে পারে সে ব্যাপারে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না।
তাই স্বাভাবিক খাবার ততটুকুই খান - যতটুকু আপনি খরচ করতে পারবেন। এতে একদিকে যেমন সমাজে খাবারের সুষম বন্টন হবে, তেমনি ওজনও থাকবে নিয়ন্ত্রণে। বাঁচবে অর্থ, কারণ একদিকে special keto diet এ খরচ যেমন বেশি, অন্যদিকে স্বাভাবিক খাবার পরিমিত খেলে তাতে খরচ কম হবে। পাশাপাশি স্বাভাবিক খাবার খাওয়ার পর তা খরচ করতে করা শারিরীক পরিশ্রমে কমবে রোগব্যাধি, আসবে সমৃদ্ধি।
ডা. কাওসার
ঢামেক, কে-৬৫







