#হাবিজাবি_১৪৯
#D_Dimer
thromboembolic disease diagnosis করতে যে টেস্টটি অনেক বেশি করা হয় সেটি D-dimer.
D-dimer একটি প্রোটিন, জমাট রক্ত ভেঙে গেলে এটি তৈরি হয়।
রক্তের প্রধান চারটি প্রোটিনের মধ্যে Fibrinogen ও Prothrombin রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। এই Fibrinogen থেকে তৈরি হয় Fibre জাল। তারপর রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করার জন্য Fibrinolysis প্রক্রিয়ায় Fibre জাল গুলো একসময় ভেঙে যায়। এর ফলে যে fragment protein গুলো তৈরি হয় তারই একটি এই D-dimer.
D-dimer প্রোটিন প্রতিনিয়ত আমাদের শরীরে তৈরি হয়ে ইউরিনের সাথে বের হয়ে যায়। কিন্তু কোন কারণে যদি রক্ত বেশি বেশি জমাট বাঁধে তবেই রক্তে D-dimer স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায় এবং ল্যাব টেস্টে ডিটেক্ট হয়।
যদি D-dimer নেগেটিভ হয়, তবে নিচের রোগগুলো কখনোই নয় (true negative),
DVT
PE
DIC
false negative ও হতে পারে যদি Anticoagulants যেমন Heparin ব্যবহার করা হয়। কারণ Heparin রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়, ফলে কম কম D-dimer তৈরি হয়।
আর যদি পজিটিভ হয় তবে উপরের রোগগুলোর যে কোনটা হতে পারে (true positive), আবার নাও পারে (false positive)
false positive কখন হয়,
Elderly
Malignancy
Prolong hospitalization, immobilization
কারণ এগুলোতে hypercoagulable state তৈরি হয়, ফলে বেশি বেশি D-dimer তৈরি হয়।
অর্থাৎ এতটুকু বুঝলাম D-dimer এর negative predictive value (NPV) অনেক বেশি।
অর্থাৎ D-dimer কম থাকলে চিন্তার কোন কারণই নেই।
কিন্তু COVID-19 এ D-dimer নিয়ে আমরা এতটাই চিন্তিত, টেস্ট করে রিপোর্টে নর্মাল পেলেও invariably anticoagulant প্রেসক্রাইব করছি।
গত কয়েকদিনে অর্ধশতক D-dimer রিপোর্ট ইনবক্সে পেয়েছি। যাদের অধিকাংশই নর্মাল, তবুও তাদের অনেকে বাড়িতে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে আগেই Enoxaparin, Rivaroxaban, Apixaban, ইত্যাদি শুরু করে দিয়েছেন!
বরং, D-dimer এর positive predictive value (PPV) কম থাকায়, এর লেভেল বেশি থাকলেও সব রোগীর ক্ষেত্রে এটা দেখে নিশ্চিত করে বলা যায় না - কোন thrombotic event আসলেই হচ্ছে কিনা। তবুও লেভেল যেহেতু বেশি, সেহেতু অহেতুক রিস্ক না নিয়ে anticoagulant শুরু করাটাই বেস্ট with careful monitoring.
কিন্তু আমরা যেভাবে এটা নিয়ে ভাবছি, রোগীদের ইচ্ছামত দিচ্ছি, তাতে কারো হিতে বিপরীত হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না! তাই proper evaluation জরুরী, এবং appropriate action হবে এই evaluation অনুযায়ী। ভাল থাকুন সবাই।
ডা. কাওসার
ঢামেক, কে-৬৫