Habijabi Logo

হাবিজাবি-৩৩৯

pharmacology
****************************************************************
Author:Dr Kawsar Uddin (DMC K-65)
5 min read
August 11, 2025 at 10:35 PM
4 comments
No media

#হাবিজাবি_৩৩৯

symptoms আছে, symptomatic treatment দিতে হবে, এই থিউরি নির্ভর করে অনেকেই চিকিৎসা দেয়, যা যথার্থ না। এই symptomatic treatment কখনো কখনো মাত্রাতিরিক্ত হয়!

চিকিৎসা দেয়ার সময় কেউ কেউ চিন্তাই করেন না, জিজ্ঞাসাও করেন না, তার অন্য কোন comorbidities আছে কিনা, প্রদত্ত চিকিৎসা তার comorbidities কে aggravate করবে কিনা। চিন্তা করেন না, তিনি কি কি ওষুধ খাচ্ছেন, কোন drug drug interaction হবে কিনা। এমনকি যে ওষুধগুলো দেয়া হচ্ছে সেগুলোর কোন significant side effects হবে কিনা সেসব বিষয়েও রোগীকে ঠিকভাবে বলছেন না, কারণ - হয় জানেন না বা সময় পাচ্ছেন না।

খুব খারাপ যে বিষয়গুলো লক্ষ্য করেছি তার কয়েকটি নিয়ে নিচে লিখছি।

Calcium supplement! রোগীর joint pain, muscle pain মানেই কারো কারো কাছে calcium deficiency! তাই তারা দেদারসে এই supplement লিখে দেন। কিন্তু এদের অনেকের calcium level একদম upper range এ, কোন osteopenia বা osteoporosis নাই, দীর্ঘদিন steroid খাচ্ছেন না, renal impairment নেই। অনেক রোগীরা এসব প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী calcium supplement দীর্ঘদিন ধরে খাচ্ছেন, এতে তাদের ব্যথার কতটুকু কি উন্নতি হয়েছে আল্লাহ মালুম, কিন্তু জটিলতা বেড়েছে অনেকের। উদাহরণস্বরূপ, এমন কিছু রোগী পেয়েছি যারা stone নিয়ে এসেছে, বিশেষ করে renal stone, ureteric stone. irrational calcium supplement ই যে এর অন্যতম কারণ তা কিন্তু না, তবে এটা একটা risk factor. অনেকেই ভুগছেন constipation, dyspepsia তে। calcium level বেড়ে গেলে হতে পারে cardiac arrhythmia. তাই irrational supplement prescribe করার ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিৎ।

এবার আসি NSAID pain killer এর বিষয়ে। ধুমধাম দিয়ে দিচ্ছে কেউ কেউ। রোগী hypertensive কিনা, DM DKD আছে কিনা বা renal impairment আছে কিনা, dyspepsia PUD আছে কিনা, Heart failure বা pulmonary breathlessness Asthma COPD আছে কিনা, অন্য কোন ওষুধ যেমন Aspirin খায় কিনা এগুলো খেয়াল করছে না। এতে নানাবিধ জটিলতা তৈরি হচ্ছে, রোগীর renal impairment হচ্ছে, NSAID induced peptic ulcer disease পাচ্ছি অনেক - এদের কারো কারো ulcer bleeding হচ্ছে, melaena, anaemia নিয়ে প্রেজেন্ট করছে। কেউ কেউ আসছে heart failure, bronchial asthma exacerbation নিয়ে, কারো কারো হচ্ছে fluid retention & edema. এক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি, জরুরি proper history taking.

Steroid! এর যে কত বহুবিধ ব্যবহার। steroid injection তো হরহামেশাই দেয়া হচ্ছে, এতে অনেকের হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা। joint pain কমছে সাময়িক, কারো কারো joint destruction হয়ে যাচ্ছে, iatrogenic cushing হচ্ছে, improper way তে বন্ধ করলে adrenal insufficiency হচ্ছে। diabetic রোগী, steroid দেয়া হচ্ছে কিন্তু counselling করা হচ্ছে না এতে তার ডায়বেটিস বেড়ে যেতে পারে, ওষুধ বা insulin এর dose বাড়িয়ে নিতে হতে পারে।

targeted synthetic DMARD যেমন JAK inhibitor ব্যবহারে কেউ কেউ কোন নিয়মই মানছে না। prerequisites follow করা হচ্ছে না, indication dose duration অনেক কিছুই মানা হচ্ছে না।

Proton pump inhibitors (PPI) চলে মুড়ির মতো। এটা atrophic gastritis, nutritional deficiency করতে পারে, করতে পারে osteoporosis, interstitial nephritis. PPI খেয়ে ঝাল মরিচ দিয়ে ভাজা মাছ খেতে হবে, প্রচুর জর্দা দিয়ে চিবিয়ে চিবিয়ে পান খেতে হবে, খেতে হবে রাস্তার খোলা ফুচকা চটপটি বা রেস্টুরেন্টের বারবিকিউ। dietary modification যা mainly করার দরকার সেসব বিষয়ে কথা বলার সময় যেন নেই কারো। history নিতে হয় NSAID Bisphosphonate intake এর, H. pylori আছে করা না খুঁজতে হয়।

antibiotics এর কথা আর কি বলবো। রিসেন্ট viral fever flow চলছে, কিন্তু অনেক রোগী prescribed হচ্ছে নানাবিধ antibiotics এর। antibiotic ছাড়া জ্বরের চিকিৎসা, এটা কি ভাবা যায়! যদিও প্রায় শতাধিক জরের রোগী, highest recorded temperature কারো কারো 104-5°F ও ছিল, তারাও only antipyretic & home remedies এ ভালো হয়েছে দেখলাম গত একমাসে।

মুড়ির মত আর যে নতুন ওষুধ চলছে সেটা Empagliflozin. দেদারসে দেয়া হচ্ছে, কিন্তু proper counselling নেই। ejection fraction একটু কম দেখে কেউ একজন শুরুতেই 25 mg দিয়েছে এক nondiabetic রোগীকে, রোগীর sugar nill হয়ে যাচ্ছে - hypoglycemic shock এ চলে যাচ্ছে, সকাল থেকে মুততে মুততে tired হয়ে যাচ্ছে, রোগীর over active bladder - সবমিলিয়ে অবস্থা কাহিল, Heart failure এর উন্নতি তো পড়ের কথা! অন্য এক diabetic patient, বারবার UTI হচ্ছে, Empagliflozin পেয়েই যাচ্ছে - কেউ চেঞ্জ করার প্রয়োজন বোধ করছে না, insulin দিচ্ছে না।

প্রেশারের জন্য irrational beta blocker প্রেসক্রাইভ করা হচ্ছে। young patient কে beta blocker দেয়া হচ্ছে। কিছুদিন পরই pressure বেশি কমে যাচ্ছে, bradycardia হচ্ছে, রোগীর fatiguability ডেভেলপ করছে, অন্য সমস্যা তো আছেই।

flupenthixol melitracin নিয়ে কি আর বলবো। যারা চলবে লিখেন, ও রোগীদের proper counselling করেন না, তাদের প্রতি অভিশাপ। রোগী এই ওষুধ খেয়ে কিছুদিন ভালো, তারপর তার যে সমস্যা শুরু হয় সেটা আর অন্যকিছু দিয়ে ভালো করা যায় না, রোগী নেশার মত dependent হয়ে যায় এ ওষুধের উপর, টানা খেতেই থাকে বছরের পর বছর। এই লাল বড়ি যেন এক সর্বরোগের ওষুধ। প্রেশারের ওষুধ খান? হ, লাল বড়ি খাই, খাইলে মাথা ঠান্ডা!!

indication না থাকলেও Fatty liver হলেই চলে Ursodeoxycholic acid, uric acid বাড়লেই চলে Febuxostat, ওদিকে সে যে hydrochlorothiazide খায় ARB এর সাথে যা করতে পারে hyperuicemia সেদিকে খেয়াল নাই - কোন gouty attack নাই।

কাশি শ্বাসকষ্ট মানেই ইদানিং জাতীয় ওষুধ Montelukast দেয়া হচ্ছে, সাথে কেউ কেউ দিচ্ছেন Doxophyline. রোগীও খাচ্ছে দামি এ ওষুধ, অভ্যস্ত হয়ে গেলে আর ছাড়তে পারছে না। হতাশাজনক।

কত আর লিখবো, এগুলো সমালোচনার জন্য না, সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য। ভালো থাকুক সবাই।

কাওসার

কে-৬৫

keywords:Irrational prescribingPolypharmacyAntibiotic misuseSteroid abuseMedical ethics

Comments (4)

Mostofa Kamal Chowdhury Adil
51w

I agree with you in every aspect you highlighted! A single diabetic patient needs more than 30 minutes for comprehensive assessment, if done properly and thoroughly! Another misused drug is Megestrol! Even being used among children to increase appetite!!!

Unknown
50w

৪০ বছর বয়সের বেশি, এমন একটা মহিলাও পাওয়া যাবে না যে Frenxit/Renxit খাই না। আমার চেম্বারে আমি পাই নি।আর সবচেয়ে বেশি সাফারার হচ্ছে স্কিনের রোগীগুলা। এফ,সি,পি,এস এম,ডি করা ডাক্তার ও দেদারসে ভরিকোনাজল, পোসাকোনাজল, স্টেরয়েড মিক্স পিপারেশন দিয়ে দিচ্ছে। ফলাফল যতদিন খাচ্ছে,ততদিন ভাল। বাদ দিলেই.....

Tahmina Shakila
51w

সময়োপযোগী পোস্ট

Abdul Ali
50w

কোন গাইডলাইনই কেউ মানেনা। কেউ রোগী হাতছাড়া করতে চায়না। এবার তা জিপি হোক কিংবা বিশেষজ্ঞ। এখন তো ডিজিটাল যামানা। যে কোন রোগের গাইডলাইন পাওয়া যায়। একটু সময় দিলেই সঠিক চিকিৎসা দেওয়া যায়।