#হাবিজাবি_১৪৩
#A_math_of_fear
কতগুলো SARS-CoV-2 virus লাগে কাউকে infect করতে?
- 1000
এই 1000 virus 1 শ্বাসে শরীরে ঢুকতে পারে।
বা, প্রতি শ্বাসে 100 particles করে 10 breath এও ঢুকতে পারে।
ভাইরাস কোথায় বেশি ছড়ায়, মূল সোর্স কোথায়, ঘরে না বাইরে?
- ঘরে! ব্যাখা নিচে।
simple math,
1 positive রোগী বাইরে বের হয়ে আর 2 জনকে হয়তো infected করছে।
এই 2 জন তাদের বাসায় ফিরে, প্রত্যেকে তাদের ঘরের 4 জন করে মোট 2*4=8 জনকে infected করছে।
এই 8 জন বাইরে যেয়ে 8*2=16 জনকে infected করছে।
এই 16 জন তাদের ঘরে ফিরে প্রত্যেকে 4 জন করে মোট 16*4=64 জনকে infected করছে।
বাইরের ব্যাপারে আমাদের সতর্কতা অনেক, সেই তুলনায় ঘরে সতর্কতা নিতান্ত কম।
কামাল সাহেব COVID-19 positive. তার বাসায় একাধিক ওয়াশরুম নেই। একটি ওয়াশরুম, সেখানে একটি flash commode.
toilet শেষ করে flash করলেন, উপরের ঢাকনা লাগানো ছাড়াই। flash করেও ঢাকনা লাগালেন না। generate হল প্রচুর aerosol. তার অল্প সময় পরই কামাল সাহেবের মিসেস কোন মাস্ক না পড়েই ওই toilet ব্যবহার করলেন। কয়েকদিন পর তিনিও COVID-19 positive.
করণীয় কি?
একাধিক washroom থাকলে COVID-19 positive রোগীর জন্য আলাদা একটি রাখুন।
সেটি সম্ভব না হলে flash commode এর উপরে ঢাকনা দিয়ে flash করুন, এবং ওই অবস্থায় ঢেকে রাখুন।
flash commode না হয়ে সাধারণ commode এ water jet কম তৈরি হয়, তাই aerosol generation ও তুলনামূলক কম হয়, তারপরও ভাল হয় কিছু একটা দিয়ে ঢেকে রাখলে।
যে কোন অবস্থায় toilet ব্যবহারের সময় mask ব্যবহার করাটাই best.
সবকিছু ঠিক থাকলো। কামাল সাহেবের মিসেস mask পরে toilet এ ঢুকলেন ওযু করতে। তখন কি হবে, ওযু করার সময় তো তাকে মাস্ক খুলতে হবে!
- এক্ষেত্রে মুখে মাস্ক পরে বালতিতে পানি ভরে বাইরে এনে তারপর ওযু করবেন।
সবকিছু ঠিক থাকলো, তারপরও মিসেস কামাল positive হয়ে গেলেন! এর কারণ কি?
- এর কারণ হল। কামাল সাহেব যখন প্রতিবার toilet শেষে বের হন, তিনি soap water দিয়ে hand wash করেই বের হন। তাই washroom এর ভিতরের সিটকিনি মোটামুটি virus free থাকে। কিন্তু বাইরের সিটকিনি ও বাথরুমের লাইটের সুইচ virus infected. মিসেস কামাল যখন পানি আনতে washroom এ ঢুকেন, তখন তার হাতে virus লেগে যায়। তিনি ঢুকে বালতি ভর্তি পানি নিয়ে হাতে virus সহ ফিরে আসেন।
তাই যে কোন কাজে washroom এ ঢুকলেই, প্রথম কাজ হল soap water এ hand wash করে নেয়া।
আর কামাল সাহেবের কাজ হল, প্রতিবার washroom থেকে বের হবার পরই বাথরুমের লক ও লাইটের সুইচের উপর antiseptic solution স্প্রে করা, বা washroom এ ঢোকার সময় নিজের হাতে antiseptic solution মেখে rub করে নেয়া।
কামাল সাহেব যে রুমে থাকেন সেই রুমের দৈর্ঘ্য প্রায় 15 ফুট। তিনি জানেন এই ভাইরাস 6 ফুট দূর পর্যন্ত যেতে পারে। তাই তার মেয়েটা mask ছাড়া রুমে ঢুকে 10 ফিট দূরে দাড়িয়ে বাবার সাথে কথা বলে, এবং দূরত্বের হিসাব করে নিজেকে নিরাপদ ভাবে।
হিসাব ঠিক আছে। কিন্তু এটা সাধারণ breath এর জন্য। সাধারণ breath এ যে droplet বের হয় সেটা সাধারণত এর বেশি যেতে পারেনা।
কিন্তু তার মেয়ে রুমে ঢুকার আগ মুহূর্তেই তিনি বেশ কয়েকটি কাশি ও হাঁচি দিয়েছেন। আর এগুলো দেয়ার সময় কামাল সাহেব কোন mask পড়ে ছিলেন না, টিস্যু বা রুমাল দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে নেননি, বা তার কনুইয়ের ভাঁজে মুখও ঢাকেননি।
এর ফলাফল যা হল,
তার cough এর ফলে যে droplets গুলো বের হলো সেগুলোর speed ছিল 50miles/hour, যা ১৫ ফুট দৈর্ঘ্যের পুরো রুমের মধ্যে এখন ঘুরপাক খাচ্ছে।
তার sneezing এর ফলে যে droplets গুলো বের হলো সেগুলোর speed ছিল 200miles/hour, সেগুলোও এই ১৫ ফুট দৈর্ঘ্যের রুমের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে।
cough ও sneeze এর দুই droplet এর মধ্যে পার্থক্য হল,
cough এর droplet গুলো size এ বড়, তাই সংখ্যায় কম, প্রায় 3000.
sneeze এর droplet গুলো size এ ছোট, তাই সংখ্যায় বেশি, প্রায় 30,000.
মাথায় প্রশ্ন আসতে পারে cough ও sneeze এ এত এত droplet বের হলে, স্বাভাবিক breath এ কতগুলো করে droplet বের হয়?
- প্রায় 50-5000 droplets.
পার্থক্য হল,
স্বাভাবিক breath এর droplets গুলোর velocity খুবই কম, তাই তারা quickly floor এ precipitated হয়।
cough এর droplets বড় হওয়ায় সেগুলোও খুব বেশি দূরে যেতে পারে না, তারাও quickly floor এ precipitated হয়।
sneeze এর droplets ছোট হওয়ায় ও velocity বেশি থাকায়, তারা একটু দূরে যেতে পারে এবং precipitated হতে একটু বেশি সময় নেয়।
সাধারণ breath এ বের হওয়া প্রতিটি droplet এ virus বেশ কম থাকে।
1 মিনিটে ধরি আমাদের respiratory rate 20.
1 টি expiration এ 1 টি করে virus বাতাসে বের হয়।
তাহলে 1 মিনিটে স্বাভাবিক breath এ একজন positive রোগী থেকে 20 টি virus বাতাসে বের হবে।
কিন্তু, প্রতিটি cough ও sneeze এর droplet এ virus থাকে প্রায় 20 কোটি! যা সাধারণ breath এর চেয়ে বহুগুণ বেশি!
তাহলে একটি হাঁচির 30,000 droplets এর মধ্যে virus আছে প্রায় 30,000*20 কোটি= 6,00,000 কোটি।
যাই হোক, কামাল সাহেবের মেয়ে তার হাঁচির পরপরই তার সাথে কথা বলতে রুমে ঢুকলো কোন mask ছাড়াই। আর এর ফলাফল তার রিপোর্টও আজ positive.
শুধু কামাল সাহেবের মেয়ে কেন, virus গুলো floor এ precipitated করার আগেই একই সাথে যদি পৃথিবীর 600 কোটি মানুষ ওই রুমের বাতাসে শ্বাস নিত, তবে কামাল সাহেবের এই একটা মাত্র হাঁচি এদের সবাইকে infected করার জন্য যথেষ্ট!
পরদিনের ঘটনা। কামাল সাহেবের হাঁচি কাশি নাই। তার ছেলে আসছেন তাকে দেখতে। তিনি বাপের কাছাকাছি একটা চেয়ার নিয়ে বসছেন, দূরত্ব 6 ফিটের কম, আর তার মুখেও mask নেই।
কামাল সাহেব 1 মিনিটে 20 টি করে virus particle বাতাসে ছাড়ছেন।
5 মিনিটে 100 টি,
আর 50 মিনিটে 1000 টি virus, যা একজন মানুষকে infect করার জন্য যথেষ্ট।
কামাল সাহেব ছেলের সাথে গল্পগুজব শুরু করলেন।
স্বাভাবিক শ্বাসে 1 মিনিটে তিনি 20 টি virus বাতাসে ছাড়লেও, কথা বলার সময় সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো 10 গুণ বেশি! অর্থাৎ 1 মিনিটে 20*10=200 টি।
5 মিনিট কথা বললে সেই সংখ্যা দাঁড়ায় 1000 virus, যা একজন মানুষকে infect করার জন্য যথেষ্ট।
এদের মধ্যে কিছু virus floor এ precipitated করলো, আর বাকিটা কামাল সাহেবের ছেলে বুক ভরে শ্বাস নিল। এভাবে ঘন্টাখানেক উভয় পক্ষের mask বিহীন কথোপকথনে কামাল সাহেবের ছেলের শরীরে 1000 virus ঢুকে গেল। তাই কামাল সাহেবের ছেলেও এখন positive.
বাইরে natural air flow বিভিন্ন দিকে থাকে, তাই virus বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে। ধরুন আমি একজন positive ব্যক্তির কাছ দিয়ে দ্রুত হেঁটে গেলাম, তার নিশ্বাসের সাথে বের হওয়া virus এ আমার infected হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলক কম।
অন্যদিকে, ঘরের মধ্যে fan ব্যবহার করায় বাতাস এক জায়গাতে ঘুরপার খায়। বা বদ্ধ রুমে AC ব্যবহার করলে বাতাস সেই রুমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। তাই ঝুঁকিটা সেই ঘরের মধ্যেই বেশি।
বাইরের ব্যাপারে আমরা যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করবো, কিন্তু ঘরের মধ্যে নিজেকে পুরোপুরি নিরাপদ ভাবা ঠিক নয়। কারণ পরিবারের বিভিন্ন সদস্যকে বিভিন্ন কাজে বাইরে যেতে হয়। তাদের অনেকে asymptomatic থাকতে পারে, কেউ আবার symptomatic positive. আর এই উভয় ক্ষেত্রে অন্যান্য family members দের প্রতিটি মুহূর্তে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার কোন বিকল্প নেই। সবার জন্য শুভকামনা।
Stay home with care.
And take great care of positive cases at home to keep others safe.
ডা. কাওসার
ঢামেক, কে-৬৫