#হাবিজাবি_১১৫
ধরুন আমার একটা Genetic defects আছে। এরফলে যেটা হয়, আমার শরীরের dead বা apoptotic cell গুলো ঝরে পরার আগে তার অভ্যন্তরের waste products গুলো dead cell surface এ নিয়ে এসে immunity কে দেখায়! স্বাভাবিক নিয়মে যেটা দেখানোর কথা না!
waste products দেখে আমার immunity সেটাকে foreign antigen মনে করে! ফলাফল, এই antigen গুলো neutralise করার অংশ হিসেবে macrophage প্রথমে তাদের engulf করে, পরে present করে Helper T cell এর কাছে - যে activate করে B cell কে, production হয় বিভিন্ন প্রকার antibody. এই antibody গুলো antigen কে neutralize করলেও ক্ষতি করে normal cell এর। আর এভাবেই যাত্রা শুরু হয় একটি autoimmune disease এর!
এরকমই একটি autoimmune disease হল SLE, যেখানে শরীরের বিভিন্ন system involve হতে পারে, তাই এটা multi system inflammatory disease. যার বিভিন্ন symptoms এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল skin manifestations - malar rash, discoid rash ইত্যাদি।
Hydroxychloroquine (HCQ) এর আকর্ষণ বেশি melanin containing টিস্যু যেমন skin, retina, ইত্যাদির দিকে। এর ফলে যেটা হয়, তারা যেয়ে জমা হয় সেসব টিস্যুতে। তাদের কাজ হল ওই সব টিস্যুর মধ্যে waste products হিসেবে যে free radical গুলো বের হয় তাদের ভিতরেই আটকে রাখা, বাইরে বের হতে বাঁধা দেয়া, যেন immunity তাদের দেখে auto-acivated না হয়। immunity activated না হলে তাদের দিকে কোন inflammatory cell যেমন leukocytes তেড়ে আসবে না - অর্থাৎ no chemotaxis! ফলাফল leucocyte থেকে যে pro-inflammatory cytokines TNF-alpha, IL তৈরি হত - সেগুলোও আর হবে না।
cytokines গুলোর কাজ হল cell কে ধ্বংস করা! আর এই কাজটা তারা করে cell এর মধ্যে থাকা lysosome কে activate করে। ফলে রিলিজ হয় lysosomal enzymes - যারা cell কে lysis করে!
HCQ যেহেতু cell এর বাইরে pro inflammatory cytokines কে indirectly inhibit করছে, সেহেতু indirectly inhibited হচ্ছে cell এর ভিতরের lysosomal enzyme release. আর এভাবেই হচ্ছে stabilization of lysosomal enzyme release - ফলে auto antibody দিয়ে ক্ষতির হাত থেকে বেঁচে যাচ্ছে normal cell গুলো।
একদম উপরে বলেছি HCQ এর আকর্ষণ বেশি melanin containing cell এর দিকে। এবার একটা গল্প বলি। কক্সবাজার বেড়াতে গিয়ে এক হোটেলে গেলাম ব্যুফে খেতে। অনেক পদের সাথে সেখানে ছিল রুপচাঁদা মাছ। যার প্রতি আমার আমার আকর্ষণ বরাবরই একটু বেশি। যেহেতু ঢাকা শহরের ব্যুফেতে সচারাচর এটা থাকে না, ফলে যা হল - অন্য আইটেম সামান্য টেস্ট করে দেদারসে একটার পর রূপচাঁদাই খেলাম অনেকগুলো!
ঠিক একইভাবে HCQ এর আকর্ষণ যেহেতু melanin এর দিকেই বেশি, সেহেতু SLE তে এটা দেয়া হয় skin manifestations কমানোর জন্য, কারণ অন্য যে কোন cell এর চেয়ে skin এ melanin বেশি তাই সেখানে তার deposition ও বেশি। আরো কিছু autoimmune disease এ skin manifestations হয় যেমন systemic sclerosis, সেখানেও তাই এটা দেয়া হয়। RA তে এটা মূল drug না, অন্য DMARD এর সাথে adjunct therapy হিসেবে দেয়া হয়।
উপরে HCQ এর যে mechanism of action বললাম, সেটার সত্যতা যাচাই করা যায় cellular concentration of HCQ দেখে, administration এর পর দেখা যায় melanin containing cell গুলোতেই তার concentration বেশি।
এবার আসি SARS-CoV-2 এর বিরুদ্ধে এটা কাজ করবে, সেটা বলা হচ্ছে কোন কোন mechanism এর আলোকে। নিচের চারটি proposed mechanisms খেয়াল করি,
Cell Membrane Stabilization: prevents virus entry into cell
ACE2 receptor modification: prevents virus entry into cell
Increased pH within cell: making the environment basic: in basic environment viral replication decreases
Zinc ionophore: Helps Zinc to get into cell: Zn decrease viral replication
দেখতে পাচ্ছি প্রথম দুটো mechanism ভাইরাসকে cell এ ঢুকতে দিচ্ছে না,
আর পরের দুটো mechanism ভাইরাসকে সংখ্যাবৃদ্ধি করতে দিচ্ছে না।
এই mechanism গুলো শরীরের (in vivo) জন্য hypothesis. কেন সে ব্যাখায় পরে আসি। ধরুন in vitro অর্থাৎ lab এ ওই mechanism গুলো proved. কিন্তু in vitro তে আপাতদৃষ্টিতে যা ঘটে, সেটা কিভাবে শরীরে (in vivo) আলাদা হতে পারে সে ব্যাখা নিচে!
সেই ব্যুফের কথাই ধরুন। রুপচাঁদা মাছ নাই, তাই যা আছে আমি কিন্তু সেটাই খাবো। ল্যাবে in vitro তে respiratory epithelial cell এর সাথে HCQ দিলাম, HCQ ওই cell এ ঠিক উপরের কাজগুলো করলো কারণ সেখানে কোন melanin containing cell নাই। কিন্তু in vivo তে, অর্থাৎ আমি as a human being যখনই এটা খাবো তখন তার প্রথম কাজ হল রক্তে যেয়ে protein এর সাথে bind করা, কারণ HCQ হল highly protein bound. এই protein bound HCQ রক্তে ঘুরে ঘুরে খুঁজতে থাকে কোথায় তার প্রিয় melanin আছে, ফলে যেয়ে ঢুকে পড়ে মেইনলি skin cell ও কিছু যায় retina তে। ঢুকে তো ঢুকেই, সহজে আর বের হতে চায় না, extensively tissue bound! আর এসব কারণে এর half life অনেক বেশি, প্রায় পয়তল্লিশ দিন!
সমস্যা হল, SARS-CoV-2 ভাইরাস skin cell এ থাকে এমনটা জানা নেই, থাকে অন্যান্য cell যেমন respiratory epithelium এ - যাদের melanin নেই। তাই এটা নিশ্চিত করে বলা কঠিন - melanin বিহীন cell এর মধ্যে থাকা SARS-CoV-2 এর বিরুদ্ধে HCQ এর কোন role সত্যিই আছে কিনা!
protein bound হওয়া ও melanin containing cell এ deposition হওয়ায় যে dose এ সাধারণত এই ওষুধ দেয়া হয় তার immediate adverse effect কম, কারণ therapeutic concentration of drug পেতে কয়েক মাস সময় লাগে! কারণ যে কোন drug শরীরের জন্য foreign body, আর তাই ওষুধ খাওয়ার পরই তাকে বের করতে শরীরের pharmacokinetic mechanisms গুলো activated হয়, চেষ্টা করতে থাকে drug টাকে excrete out করতে।
ধরুন কারো ওজন 70kg, তাহলে সে যদি প্রতিদিন 450mg (6.4mg/kg/d) করে HCQ খায়, তবে তার কিছু অংশ excrete out হয়ে বাকিটা জমা হতে হতে প্রায় 2-3 মাস সময় লাগবে কোন response পেতে!
তাই কিছু দেশ চিন্তা করলো High dose এ তারা এটাকে ব্যবহার করবে। করলোও! তাদের অধিকাংশের ফলাফল cardiac arrhythmia. ব্রাজিল করেছিলো আরো অদ্ভুত কাজ, তারা HCQ এর কয়েকগুণ বেশি শক্তিশালী Chloroquine phosphate ব্যবহার করেছিল trial treatment হিসেবে, adverse effect এতই বেশি ছিল যে, অধিকাংশ রোগীই সেটা discontinue করে, তারা বাধ্য হয় সেটার trial বন্ধ করতে!
আমাদের যে prophylaxis এর কথা বলা হচ্ছে, weekly 400 mg. সামান্য adverse effect এর কথা বাদই দিলাম, এবং ধরেই নিলাম উপরের mechanisms গুলো শরীরের melanin containing cell ছাড়াও অন্যান্য cell এ সমানভাবে ঘটে, তাহলে উপরের 2-3 মাসের হিসাব অনুযায়ী আমাদের এই weekly 400mg prophylactic dose কয় মাস পর response দেখানোর মত যথেষ্ট হবে, প্রতিরোধ করবে SARS-CoV-2 কে?!
ধন্যবাদ। শুভকামনা।
ডা. কাওসার
ঢামেক, কে-৬৫
একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর, পোস্টগ্রাজুয়েট এডুকেশন, প্ল্যাটফর্ম একাডেমিয়া।
